প্রোডাক্টিভিটি বাড়ানোর উপায় কি- প্রোডাক্টিভিটি বাড়ানোর ৮ উপায়

প্রোডাক্টিভিটি বাড়ানোর উপায় কি এ নিয়ে অনেকে প্রশ্ন করে থাকেন বা অনেকে জানতে চেয়েছেন। কারণ বর্তমান যুগে সবাই অল্প সময়ের ভেতর বেশি কাজ করতে চায়। কিন্তু দেখা যায় সারাদিন কাজ করার পরেও দিন শেষে কাজটি শেষ করা হয়ে ওঠে না। এটা মানসিক চাপ হয়ে দাঁড়ায়।

প্রোডাক্টিভিটি-বাড়ানোর-উপায়-কি
তবে এমন কিছু কাজ আর রুটিন মেনে চললে এই ধরণের সমস্যা থেকে বেচে থাকা যাবে আর প্রোডাক্টিভিটি বাড়ানো যাবে। সময়ের কাজ সময়ে শেষ করা যাবে। আপনার কাজ করার এনার্জি বেড়ে যাবে আর আপনি সময়মতো কাজ শেষ করতে পারবেন। চলুন এবার বিস্তারিত জেনে নেই।

পেজ সূচিপত্রঃ প্রোডাক্টিভিটি বাড়ানোর উপায় কি

প্রোডাক্টিভিটি বাড়ানোর উপায় কি

প্রোডাক্টিভিটি বাড়ানোর উপায় কি সে সম্পর্কে জানার আগে প্রোডাক্টিভিটি সম্পর্কে জেনে নেওয়া দরকার। প্রোডাক্টিভিটি মানে শুধুমাত্র বেশি বেশি কাজ করা নয় বরং সঠিক সময়ে সঠিক কাজ করাকেই প্রোডাক্টিভিটি বলে। আমরা সারাদিনের মধ্যে সবাই ২৪ ঘন্টা সময় পাই। কিন্তু এই ২৪ ঘন্টা সময় সবাই ঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারে না। এর আসল কারণ হলো প্রোডাক্টিভিটি। কাজ করার এনার্জি যত বেশি সে তত বেশি মনোযোগ ধরে রাখতে পারে। প্রোডাক্টিভিটি বাড়ানোর কিছু উপায় নিচে দেওয়া হলঃ

  • প্ল্যান নিয়ে দিন শুরু করা।
  • গুরুত্বপূর্ণ কাজ আগে করা।
  • রেস্ট নিয়ে কাজ করা।
  • সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকা।
  • ভালোমতো ঘুমানো আর স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া।
আপনি সেই কাজগুলো দিনে শুরুতে করবেন যে কাজগুলো গুরুত্বপূর্ণ মনে হবে। আর গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো করার জন্য আপনাকে একটা প্ল্যান থাকতে হবে। তাই ভালোভাবে প্ল্যান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো আগে সেরে ফেলতে হবে। কাজের মাঝে যদি আপনি রেস্ট না নেন তাহলে একঘেয়েমি চলে আসবে তাই রেস্ট নিতে হবে। আর কাজের সময় যদি আপনি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেন তাহলে এতে মনোযোগে নষ্ট হয় আর প্রোডাক্টিভিটি কমিয়ে দেয়। ভালোভাবে যদি রাতে ঘুমান আর নিজের শরীরের স্বাস্থ্য ঠিক রাখেন তাহলে কাজে মনোযোগ বসে এতে বেশি কাজ হয়।

বড় কাজ ভেঙ্গে ছোট করে করা

প্রোডাক্টিভিটি বাড়ানোর জন্য আপনাকে প্ল্যান নিয়ে কাজ শুরু করার পর যদি আপনার প্ল্যান এর মধ্যে বড় কোন কাজ থাকে তাহলে সেটাকে ভেঙে ছোট ছোট করে যদি কাজটা করেন তাহলে বেশি আগাবে। কারণ আপনি যখন বড় কাজটা ছোট ছোট কাজে ভাগ করে নিবেন তখন ছোট কাজগুলো শেষ করতে বেশি সময় লাগবে না আর এতে আপনার আগ্রহ নষ্ট হবে না। এর পাশাপাশি আপনি মনোযোগ ধরে রাখতে পারবেন। তাই কাজগুলোকে নিজের সুবিধা মত ভেঙে ভেঙে ছোট করে নিয়ে করতে হবে।
ছোট কাজগুলো করার সময় আপনি নিজের মতো করে রুটিন বানিয়ে নিতে পারেন। রুটিন অনুযায়ী কাজ করলে আপনার কাজটা দ্রুত আগাবে। আর এলোমেলোভাবে কাজ করলে কাজটা আগাতে পারবেন না। পরে দিন শেষে দেখবেন আপনার কাজ যেরকম আশা করেছিলেন সেরকম ভাবে আগায়নি। ছোট ছোট কাজগুলো শেষ করে আস্তে আস্তে দেখবেন সবগুলো মিলিয়ে আপনার আসল কাজটা শেষ হয়ে গেছে। তাই বড় কাজকে ভেঙে ছোট করে প্রোডাক্টিভিটি বাড়ানো যায়।

সময় ভাগ করে নিয়ে

কাজের জন্য আপনি সময়কে ভাগ করে নিতে পারেন। যখন আপনি সময় ভাগ করে নিবেন এতে আপনার সময় অপচয় হবে না। আর প্রোডাক্টিভিটি বাড়ানোর জন্য সময়ের অপচয় না হওয়াটা একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ যদি আপনার সময় অপচয় হয় বা অপ্রয়োজনে সময় ব্যয় হয় তাহলে দেখা যাবে আপনার কাজের জন্য যে সময়টা দেওয়া প্রয়োজন আপনি সেই সময়টা দিতে পারছেন না আর আপনার কাজটা তখন আগাচ্ছে না। এর মানে দিনশেষে আপনি আপনার কাজটা শেষ করতে পারছেন না।

তাই যেকোনো কাজের জন্য সময় ভাগ করে নিতে হবে। ধরুন আপনার কাজটা শেষ করতে পাঁচ দিন সময় লাগবে। তাহলে পুরো কাজকে পাঁচ দিনে এমন ভাবে ভাগ করতে হবে যেন সেটা পাঁচ দিনেই শেষ হয়ে যায়। প্রথম দিনের কাজের একটা অংশ ঠিক করে নিতে হবে। দ্বিতীয় দিনের জন্য আরেকটা অংশ। এভাবে তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম দিনের জন্য আলাদা আলাদা অংশ। তাহলে দেখবেন আপনার কাজ সময়ের মধ্যেই শেষ হয়ে গেছে। তবে যে অংশগুলোতে ভাগ করে নিয়েছেন সে অংশের কাজ যাতে শেষ হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

সময় নষ্ট করা যাবে না

আপনার কাজের গতি বাড়ানোর জন্য বা প্রোডাক্টিভিটি বাড়ানোর জন্য সময়কে গুরুত্ব দেওয়া শিখতে হবে। আপনি যদি সময় অপচয় করেন তাহলে আপনার কাজের প্রোডাক্টিভিটি বাড়বে না। সময় অপচয় বা নষ্ট করা বলতে বোঝানো হচ্ছে অপ্রয়োজনীয় কাজে সময় দেওয়া বা কোন কাজ না করে বসে থাকা। যেমন আপনি কাজ করার সময় সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করছেন বা ফেসবুকে সময় দিচ্ছেন। সোশ্যাল মিডিয়াতে রিলস দেখে সময় পার করছেন। এমন যদি হয় তাহলে এগুলোকে বলে সময়ের অপচয়। 
প্রোডাক্টিভিটি-বাড়ানোর-উপায়-কি
আপনি যদি কোন কাজ না করে বসে বসে সময় নষ্ট করেন তাহলে এটাও সময়ের অপচয়। আর যদি আপনি সময়ের অপচয় করেন তাহলে আপনার কাজের সময়টা নষ্ট হয়ে যায়। এর কারণে কাজের প্রোডাক্টিভিটি কমে যায়। সময়ের কাজ সময়মতো শেষ হয় না। তাই আপনাকে অযথা সময় নষ্ট করা থেকে নিজেকে বাঁচাতে হবে। কাজের সময় কোন ধরনের ফোন ব্যবহার করা যাবে না। বিরক্ত লাগলে আপনি রেস্ট নিতে পারেন কিন্তু অযথা বসে থাকা যাবে না। এভাবেই কাজের প্রোডাক্টিভিটি বাড়বে।

পোমোডোরো টেকনিক ফলো করে

প্রোডাক্টিভিটি বাড়ানোর উপায় কি এটি জানতে হলে পোমোডোরো টেকনিকের কথা না বললেই নয়। একটা মানুষ সাধারণভাবে ২০ থেকে ২৫ মিনিটের বেশি মনোযোগ ধরে রাখতে পারে না। কিন্তু আপনার প্রোডাক্টিভিটি বাড়ানোর জন্য মনোযোগ ধরে রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই আপনি যাতে কাজের মনোযোগ ধরে রাখতে পারেন তাই ২০ থেকে ২৫ মিনিট কাজ করার পর পাঁচ মিনিট করে রেস্ট নিতে হবে। এতে করে মনোযোগ একবার নষ্ট হয়ে গেলেও আবার মনোযোগ ফিরে আসবে। 
যদি আপনি একটানা কাজ করতে থাকেন তাহলে মনোযোগ ধরে রাখতে পারবেন না আবার একঘেয়েমি চলে আসবে। আমরা যারা আর্টিকেল রাইটিং এর কাজ করি তাদের জন্য এই টেকনিক ফলো করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ আমাদের একটানা লিখতে হয়, আর গবেষণা করে বিভিন্ন জায়গায থেকে ইনফরমেশন কালেক্ট করতে হয়। তাই আমাদের উচিত হবে ২০ থেকে ২৫ মিনিট কাজ করার পর পাঁচ মিনিট করে রেস্ট নেওয়া বা একটু হাটাহাটি করে আসা। এতে করে কাজে এনার্জি বাড়বে।

বড় কাজ সকালে করুন

একজন মানুষের সবচেয়ে বেশি কাজ করার ক্ষমতা থাকে সকাল বেলা। কারণ দিনের শুরুতে মানুষের দেহ মন দুটো সতেজ থাকে। সারা রাতে একজন মানুষের শরীরের সব ধরনের ক্লান্তি চলে যায়। আর সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে একটা ফ্রেশনেস পাওয়া যায়। তাই যদি কেউ সকালবেলা বড় বড় কাজগুলো করে থাকে তাহলে এতে কাজ করার এনার্জি বেশি পাওয়া যাবে আর কাজটা বেশি আগাবে। এছাড়া আপনি যদি সকাল বেলা কাজ করেন তাহলে সময় অপচয় থেকেও নিজেকে বাঁচাতে পারবেন।

তাই প্রথমে খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠতে হবে। এরপর নিজের ধর্মের প্রার্থনা করার পর হেলদি কিছু খাবার খেয়ে নিয়ে বা শরীর চর্চা যদি করেন তাহলে সেই শরীরচর্চা বা এক্সারসাইজ করে নেওয়ার পর কাজে লেগে পড়তে হবে। শরীরচর্চা করার পর যদি আপনি কাজ করতে বসেন তাহলে আপনার মনোযোগ বেশি কাজ করবে। কারণ এক্সারসাইজ করলে মানুষের শরীরের পাশাপাশি মনও ঠিক থাকে। আর আপনি যখন এই সবগুলো পদ্ধতি অনুসরণ করার পর সকালবেলা কাজ শুরু করবেন সেখানে প্রোডাক্টিভিটি বেশি দেখতে পাবেন।

একসাথে একটি কাজ করতে হবে

আপনি যদি একসাথে অনেকগুলো কাজ করতে চান তাহলে কোন কাজেই ঠিক ভাবে মন বসবে না আর সবগুলো কাজেই ভুল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। এতে আপনার প্রোডাক্টিভিটি কমে যায়। যদি আপনি একসাথে অনেকগুলো কাজ করেন তাহলে আপনার ব্রেন একসাথে অনেকগুলো কাজ করার জন্য রেডি নাও থাকতে পারে। আর যদি রেডি থাকেও তারপরেও আপনার অনেকগুলো ভুল হয়ে যেতে পারে। যখন আপনার কাজের মধ্যে ভুল হবে তখন সেই ভুলগুলো যখন সংশোধন করতে যাবেন তখন,
এই ভুল সংশোধন করার কাজটা আপনাকে বিরক্ত করে তুলবে। তখন সে কাজ কাজটাও আপনার জন্য বিরক্তকর হয়ে যাবে। আর যদি কোন কাজ বিরক্ত কর মনে হয় তাহলে সে কাজে মন না বসার কারণে কাজটার গতিধীর হয়ে যায়। তার মানে আপনার কাজের প্রোডাক্টিভিটি কমে যাবে। তাই আপনার উচিত হবে প্রোডাক্টিভিটি বাড়ানোর জন্য একসাথে একটা কাজেই মনোযোগ দেওয়া আর একটা কাজই করা। এতে করে এক কাজে মনোযোগ বসবে আর কাজের গতি বাড়বে আর আপনি বিরক্ত হবেন না।

একটা ডেডলাইন বানিয়ে ফেলা

আপনি যখন একটা কাজের জন্য নির্দিষ্ট একটা সময় বা ডেড লাইন নির্ধারণ করে ফেলবেন বা বানিয়ে ফেলবেন তখন দেখবেন আপনার কাজ করার আগ্রহ বেড়ে যাবে। কারণ তখন আপনার মাথায় একটা জিনিসই কাজ করবে যে ওই তারিখের মধ্যে আমাকে এই কাজটি অবশ্যই শেষ করতে হবে। আর যখন আপনার ভিতরে এমন জিনিস কাজ করবে তখন অলসতা আসবেনা আর আপনি ওই কাজে মন বসাতে পারবেন। এতে করে আপনার সময় কাজের মাধ্যমেই চলে যাবে, অপচয় হবে না।

তাই আপনি একটা ডেডলাইন বানিয়ে ফেলবেন আপনার কাজের জন্য। ডেডলাইন বলতে বোঝানো হচ্ছে আপনি নিজেই একটা তারিখ ধরে রাখবেন যে ওই তারিখের মধ্যে আপনার এই কাজটি শেষ করতে হবে। যখন আপনি এমন ডেডলাইন মেনে কাজ করবেন তখন আপনার কাজের গতি বেড়ে যাবে। আপনার অলসতার কারণে যদি কাজটি বন্ধ হয়ে থাকত তাহলে এই সমস্যার সমাধান হিসেবে ডেডলাইন কাজ করবে। তাই আপনার কাজের প্রোডাক্টিভিটি বাড়ানোর জন্য ডেড লাইন বানিয়ে ফেলতে হবে।

নিয়মিত শরীরচর্চা করতে হবে

আপনি যদি নিয়মিত শরীর চর্চা করেন তাহলে শরীরচর্চা করার মাধ্যমে আপনার মন শরীর দুইটাই ঠিক থাকবে। একজন মানুষের শরীর যদি না ঠিক থাকে তাহলে তার কোন কাজে মন বসবে না। কারণ অসুস্থ মন নিয়ে কোন কাজ ভালোভাবে করা যায় না। আর শরীরচর্চা না করলে একটা মানুষ অলস হয়ে যায়। তার মানে বোঝা যায় যদি একটা মানুষ শরীরচর্চা করে এর বিপরীতে সে পরিশ্রমী হয়ে ওঠে। শরীরচর্চা করলে একজন মানুষ যে পরিশ্রমী হয়ে ওঠে এটার অবশ্যই একটা কারণ আছে।
প্রোডাক্টিভিটি-বাড়ানোর-উপায়-কি
এর কারণ হলো যখন মানুষ শরীর চর্চা করে তখন শরীরের রক্ত চলাচল স্বাস্থ্যকর ভাবে বেড়ে যায়। এতে করে নেগেটিভ হরমোন গুলো কাজ করা বন্ধ করে দেয় আর পজিটিভ হরমোন গুলো কাজ করা শুরু করে দেয়। আর তখন আপনার ব্রেইন খুব ঠান্ডা থাকে আর যে কোন বিষয়ে আপনি তখন মনোযোগ বসাতে পারেন। তাই আপনি যদি আপনার কাজের প্রোডাক্টিভিটি বাড়াতে চান আর সেখানে মন ধরে রাখতে চান তাহলে আপনাকে নিয়মিত শরীর চর্চা করতে হবে। এভাবেও কাজের প্রোডাক্টিভিটি বেড়ে যায়।

মন্তব্যঃ প্রোডাক্টিভিটি বাড়ানোর উপায় কি

প্রোডাক্টিভিটি বাড়ানোর উপায় কি এ বিষয়ে জানতে চাইলে আমাদের আজকের আর্টিকেল শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ভালোভাবে আপনাকে পড়তে হবে আর পড়ার পর দেওয়া গাইডলাইন গুলো ভালোভাবে অনুসরণ করতে হবে। যদি প্রোডাক্টিভিটি বাড়াতে চান তাহলে আপনাকে সর্বপ্রথম শরীরচর্চা দিয়েই শুরু করা উচিত হবে বলে আমরা মনে করি। আমরা নিজেরা আর্টিকেল রাইটার হিসেবে প্রোডাক্টিভিটি বাড়ানোর জন্য চেষ্টা করে থাকি। আর গবেষণা করে আমরা দেখেছি যে আমাদের আজকের দেওয়া গাইডলাইনগুলো খুব কার্যকরী।

তাই আপনি যদি আজকে আমাদের দেওয়া গাইডলাইনগুলো নিয়মিত অনুসরণ করেন এবং সেগুলো প্র্যাকটিস করেন তাহলে আপনিও আপনার কাজের প্রোডাক্টিভিটি বাড়াতে পারবেন আর কাজ করার একটা ভালো গতি ধরে রাখতে পারবেন। সেজন্য আপনাকে কখনো সময় ভাগ করে নিতে হতে পারে আবার কখনো বড় কাজ ভেঙ্গে ভেঙ্গে ছোট করতে হতে পারে। এছাড়াও উপরে দেওয়া সবগুলো উপায় আপনি প্র্যাকটিস করবেন তাহলেই আপনার কাজের প্রোডাক্টিভিটি বাড়াতে পারবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আড্ডাভিউ আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url